Breaking News

ভাঙ্গায় সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধীদের শেষ সম্বল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

‎‎ভাঙ্গায় সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধীদের শেষ সম্বল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

‎ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

‎ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌরসভার এক সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী পরিবারের শেষ সম্বল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বিকেলে কৈডুবী সদরদী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন চৌধুরীকান্দা সদরদীর বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মোল্যার ছেলে ভুক্তভোগী মোঃ মিজানুর রহমান।

‎অভিযুক্তরা হলেন- ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ ফকির ও তার পিতা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ (পল্লী চিকিৎসক) নান্নু। জাহিদের ছোট ভাই নাহিদ ফকির সহ অজ্ঞাতনামা ২ শতাধিক দেশীয় অস্ত্রধারী।

‎সংবাদ সম্মেলন ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়- গত সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৫ টার দিকে শারীরিক প্রতিবন্ধী পরিবারের শেষ সম্বল কৈডুবী সদরদী বাস স্ট্যান্ডের পাশে থাকা একটি মুদি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ ও তার ছোট ভাই নাহিদের নেতৃত্বে প্রায় ২ শতাধিক দেশীয় অস্ত্রধারীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে হঠাৎ দোকানে হামলা চালায়। এ সময় দোকানের ভেতরে থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী একটি শিশুকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

‎ভুক্তভোগীরা আরও বলেন- শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় গত আনুমানিক ৩৫ বছর যাবৎ মুদিমালের একটি দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন তারা। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ ভাবে দোকান ভেঙ্গে ফেলা সহ জায়গা দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযুক্তরা ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার সময়ে মিজানুরকে জোরপূর্বক দোকান থেকে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন অভিযুক্তরা।

‎প্রতিবন্ধী মিজানুর আরও জানান- অভিযুক্তরা একে অপরের যোগসাজশে দোকান ঘরটি ভাঙ্গচুর চালিয়ে সেখানে থাকা মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে সহ তার পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন দেশীয় অস্ত্রধারীরা। ঘটনার পর থেকে হতাশাগ্রস্ত হয়ে আতঙ্কিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি ও তার পরিবার। এ ঘটনায় জড়িত সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মিজানুর।

‎এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিলি বেগম বলেন- আমি বাড়িতে থাকা অবস্থায় শুনতে পাই- এখানে লোকজন জড়সড় হয়ে ভাঙচুর করছে। তারা (অভিযুক্তরা) জানায় সব কিছুই সরকারি হয়ে গেছে। তাদের হাতে হামার সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ছিল।

‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ ফকির জানান- দোকানটি সরকারি জায়গায় ছিলো। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি।

‎ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

‎ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌরসভার এক সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী পরিবারের শেষ সম্বল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বিকেলে কৈডুবী সদরদী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন চৌধুরীকান্দা সদরদীর বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মোল্যার ছেলে ভুক্তভোগী মোঃ মিজানুর রহমান।

‎অভিযুক্তরা হলেন- ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ ফকির ও তার পিতা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ (পল্লী চিকিৎসক) নান্নু। জাহিদের ছোট ভাই নাহিদ ফকির সহ অজ্ঞাতনামা ২ শতাধিক দেশীয় অস্ত্রধারী।

‎সংবাদ সম্মেলন ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়- গত সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৫ টার দিকে শারীরিক প্রতিবন্ধী পরিবারের শেষ সম্বল কৈডুবী সদরদী বাস স্ট্যান্ডের পাশে থাকা একটি মুদি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ ও তার ছোট ভাই নাহিদের নেতৃত্বে প্রায় ২ শতাধিক দেশীয় অস্ত্রধারীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে হঠাৎ দোকানে হামলা চালায়। এ সময় দোকানের ভেতরে থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী একটি শিশুকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

‎ভুক্তভোগীরা আরও বলেন- শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় গত আনুমানিক ৩৫ বছর যাবৎ মুদিমালের একটি দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন তারা। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ ভাবে দোকান ভেঙ্গে ফেলা সহ জায়গা দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযুক্তরা ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার সময়ে মিজানুরকে জোরপূর্বক দোকান থেকে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন অভিযুক্তরা।

‎প্রতিবন্ধী মিজানুর আরও জানান- অভিযুক্তরা একে অপরের যোগসাজশে দোকান ঘরটি ভাঙ্গচুর চালিয়ে সেখানে থাকা মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে সহ তার পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন দেশীয় অস্ত্রধারীরা। ঘটনার পর থেকে হতাশাগ্রস্ত হয়ে আতঙ্কিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি ও তার পরিবার। এ ঘটনায় জড়িত সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মিজানুর।

‎এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিলি বেগম বলেন- আমি বাড়িতে থাকা অবস্থায় শুনতে পাই- এখানে লোকজন জড়সড় হয়ে ভাঙচুর করছে। তারা (অভিযুক্তরা) জানায় সব কিছুই সরকারি হয়ে গেছে। তাদের হাতে হামার সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ছিল।

‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ ফকির জানান- দোকানটি সরকারি জায়গায় ছিলো। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি।

Check Also

ভাঙ্গায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার **

ভাঙ্গায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ** স্থানঃ কলাতলা- কারিকরপাড়া মালীগ্রাম** ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *